টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) – ১৭টি লক্ষ্য
২০১৫ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য—দারিদ্র্য, ক্ষুধা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ুসহ মানুষের ও পৃথিবীর কল্যাণে সমন্বিত কর্মসূচি। এখানে প্রতিটি লক্ষ্য বাংলায় সংক্ষিপ্তভাবে ব্যাখ্যা করা হলো।
সকল স্থানে চরম দারিদ্র্য নির্মূল, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার ও দারিদ্র্যের ঝুঁকি কমাতে টেকসই অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি।
ক্ষুধা দূর, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন।
সকল বয়সে স্বাস্থ্যসম্মত জীবন ও মঙ্গল নিশ্চিত—মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, সংক্রামক/অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্যতা।
সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা এবং আজীবন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত।
নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন, বৈষম্য ও সহিংসতা দূর, সমান অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত।
সবাইয়ের জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন; জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা।
সবার জন্য নির্ভরযোগ্য, আধুনিক ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রাপ্যতা বৃদ্ধি।
উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও শ্রম অধিকার সুরক্ষা।
সহনশীল অবকাঠামো গঠন, টেকসই শিল্পায়ন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করা।
দেশের ভেতরে ও দেশগুলোর মধ্যে আয়, সুযোগ ও অংশগ্রহণের বৈষম্য কমানো।
নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও টেকসই শহর-নগর গড়ে তোলা; বাসস্থান ও পরিবহন সুবিধা উন্নয়ন।
সম্পদ দক্ষতা, বর্জ্য হ্রাস ও চক্রাকার অর্থনীতি—উৎপাদন ও ভোগে টেকসই অনুশীলন।
জলবায়ু ঝুঁকি কমাতে অভিযোজন ও প্রশমন কর্মসূচি, প্রাথমিক সতর্কীকরণ ও সহনশীলতা বৃদ্ধি।
সমুদ্র দূষণ ও অতিমৎস্য আহরণ কমানো; উপকূল ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ।
বন সংরক্ষণ, মরুকরণ প্রতিরোধ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক আবাস পুনরুদ্ধার।
সহিংসতা ও দুর্নীতি হ্রাস, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গঠন।
অর্থায়ন, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও নীতি–সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা।
টীকা: উপরের আইকনগুলো Wikimedia Commons-এ প্রকাশিত SDG ভিজ্যুয়াল (তথ্যগত ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত)। অফিসিয়াল ব্র্যান্ডিং নীতিমালা অনুসরণ করুন।
